শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
ভুল রিপোর্টের চিকিৎসায় অকালে ঝরে গেল কলেজ ছাত্রের তাজা প্রান অনলাইন জুয়ায় আসক্ত স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু,, ঘাতক স্বামী আটক এসআরবি – ৭ মায়ানমারে পাচারকালে ৩ ট্রাক ইউরিয়া সারসহ দুইজন পাচারকারী আটক করেছে – কোস্ট গার্ড ইপিজেড থানার আকমল আলীতে প্রশাসন আবারও ভেঙ্গে দিলো ওসমানের নতুন জুয়ার ঘর দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী মোঃ রিয়াজ প্রঃ রিয়াদকে গ্রেফতার করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তায় যথাযথ ধর্মীয় ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হলো জশনে জুলুস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা.) চট্টগ্রামে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ থানায় রদবদল সিএমপির হালিশহর থানায় হাজেরা আক্তার টুনি ও নুর নাহার ঝিল্লি ৮ কেজি গাঁজা সহ হাতে নাতে গ্রেফতার। চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ভুল রিপোর্টের চিকিৎসায় অকালে ঝরে গেল কলেজ ছাত্রের তাজা প্রান

ভুল রিপোর্টের চিকিৎসায় অকালে ঝরে গেল কলেজ ছাত্রের তাজা প্রান।

মোঃ রেজাউল করিম ঃ- চট্টগ্রাম ২ই অক্টোবর ২০২৬ ইং

ডেঙ্গু আক্রান্ত মাহিনকে টাইফয়েডের চিকিৎসা, ১৪ ইনজেকশনের পর এক সপ্তাহেই মৃত্যু ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে,

চট্টগ্রামে ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার ভুল রিপোর্টের অভিযোগে মো. মোস্তাকির মঞ্জুর মাহিন (১৯) নামে এক কলেজছাত্রের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে জানাগেছে, স্বজনদের অভিযোগ, মাহিন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত থাকলেও শাহজালাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্টে তাকে টাইফয়েডে আক্রান্ত হিসেবে দেখানো হয়।

ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে চিকিৎসা নেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে।
পরিবারের দাবি, টাইফয়েডের কথা উল্লেখ করে তাকে ১৪টি ইনজেকশন দেওয়া হয়। প্রায় এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে মাহিনের মৃত্যু হয়।

তিনি কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। স্বজনদের দাবি ডাঃ আব্দুল মবিন এর ভুলে মাহিনের মৃত্যু হয়েছে।
মাহিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ভুল রিপোর্ট, চিকিৎসা পদ্ধতি ও দেওয়া ওষুধ-ইনজেকশনের সঙ্গে তার মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক ছিল কি না—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকের বক্তব্য এবং মাহিনের সব চিকিৎসা-নথি যাচাই করে দায় নির্ধারণের দাবি উঠেছে। ২৪ নং ওয়ার্ড উত্তর আগ্ৰাবাদ মিস্ত্রী পাড়া নিবাসী মহিন ছিল পরিবারের বড় ছেলে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com